হৈমন্তী বসন্ত
বঙ্গ-ললনা চলিলা প্রবাস-আলয়ে ।
হায়, শীত-সন্ধ্যা কার সনে কাটাইব
তবে ! কোন সুহাসিনী সহিত মাতিব
ফোনালাপে এ' হৈমন্তী, অলস সময়ে !
কাহার মদির আঁখির সে' মায়াজালে
ঈষৎ "ঢলানি"-ভরা প্রশ্রয় লভিয়া,
স্বীয় অর্ধাঙ্গিনীরে সুদূরে পাঠাইব
সেই সান্ধ্য সোমরস-সুধা-পান-কালে !
কার কাংস্য-নিন্দিত কন্ঠস্বরে তবে
মিছা প্রশংসিব "পীক-ধ্বনি" কহিয়া !!
কি প্রকারে বুঝাইব কহো, এই রিক্ত
পরাণে ! এইরূপ ভাবনা-জালে যবে
জড়াইয়া ছিনু, হতাশা-সহিত ব্যাথা
মাখিয়া পোহাতেছিনু দিন প্রতিদিন,
তখনই দূরভাষে "বন্ধু" মহাশয়
অকস্মাৎ দিলা সে' দুর্বিষহ বারতা
এই অধমেরে । সখা মোর ভুগিতেছে
ঘুসঘুসে জ্বরে !!! সঙ্গে নাকি রক্তবর্ণ
দাগ স্থানে স্থানে । বদ্যি-পতি হাঁকিলেন
নিদান, "ভাই রে, এ' যে ডেঙ্গি বাঁধিয়াছে" !
কি শুনিনু ! ওগো দয়াময়, ভগবান !
মূহুর্ত্তে শূন্য হ'ল দরিদ্র-অন্তরাত্মা -
জাগতিক যাহা কিছু আছে, তাহা তুচ্ছ
মনে হয় অহর্নিশ, প্রাণ উচাটন,
পর্যাপ্ত অর্থরাশি থাকিলে অ্যাকাউন্টে
কিম্বা স্পন্সরিলে কেহ, সহৃদয় চিতে,
এ' কবি ধাইত তবে সে' বন্ধুনী পানে
প্রেম-প্রেম ভাব নিয়া, ভরা সেন্টিমেন্টে ।
পরদিন দিবাকালে পতি মহাশয়
আশ্বস্ত করেন, "বুঝিলে, চিকিৎসক
মতে, এ ব্যাধি ডেঙ্গি নহে । হেমন্তকালে
তব সখা বসন্ত আনিল দেহে হায়" ।
শুনি হৃদয় চঞ্চলিল ! তথাপি, পাছে
পড়ি যাই মম পত্নী-সন্দেহ-নজরে,
প্রয়োগিয়া বুদ্ধিমত্তা, বাজানু সজোরে
প্রিয় সে প্রেম-গীতি, "বসন্ত এসে গেছে" ।
পুনশ্চঃ
মিথ্যা সব কিছু জেনো । কাল পাত্রী আদি
সব কাল্পনিক (কি বা করি হায়, ভার্য্যা
যে বিরাজমানা বন্ধু-তালিকায় !) । তবু
লিখি দিনু মনোব্যাথা । চতুর্দশপদী !!
(সঞ্জিত)
Good...
ReplyDelete“महफ़िल वो नहीं, जहाँ चेहरों की तादाद हो,
ReplyDeleteमहफ़िल तो वो है, जहाँ ख़याल आबाद हो "
WAH ! WAH !!
Delete